1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন

নারায়ণগঞ্জে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের মানববন্ধন

নারায়ণগঞ্জ টাইমস
  • সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ১৫
নারায়ণগঞ্জে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের মানববন্ধন

মণ প্রতি বোরো ধানের দাম ১৫শত টাকা নির্ধারণ, প্রতি ইউনিয়নে ক্রয় কেন্দ্র খুলে খোদ কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা, কৃষকের কাছ থেকে কমপক্ষে ৫০ লাখ টন ধান ক্রয়, ক্ষেতমজুরদের জন্য গ্রামীণ রেশনিং চালু এবং জাতীয় বাজেটের উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০% কৃষি খাতে বরাদ্দের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট সোনারগাঁ উপজেলা শাখা। সোমবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১টায় সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সোনারগাঁ উপজেলার আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ও বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলা সমন্বয়ক নিখিল দাস, সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সোনারগাঁ উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইসহাক মিয়া, সংগঠক আনোয়ার হোসেন প্রমূখ।

নিখিল দাস বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। দেশের মোট শ্রম শক্তির ৬০ ভাগ কৃষিতে নিয়োজিত। জিডিপির প্রায় ১৪.৭৯% প্রত্যক্ষভাবে আসে কৃষি থেকে। একক খাত হিসাবে জিডিপিতে কৃষির অবদান বেশি হলেও বাজেটে বরাদ্দ কম। আমরা জাতীয় বাজেটের উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০% কৃষিতে বরাদ্দের দাবি জানাই।

 

তিনি আরও বলেন, এ সময় বোরো ধানের মৌসুম চলছে। কৃষকরা বিভিন্ন এনজিও ও কৃষি ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ফসল ফলিয়েছে। ফলে তারা ধান বিক্রি করে ঋণের টাকা পরিশোধ করে। কিন্তু তাদের উৎপাদন খরচের কম দামে বাজারে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে।

 

আমরা সরকারের কাছে মণ প্রতি ১৫০০ টাকা ধানের দাম নির্ধারণের দাবি জানাই। এবার সরকার সাড়ে ১১ লাখ টন চাল ও সাড়ে ৬লাখ টন ধান ক্রয় করার সিদ্ধান্ত করে।

 

প্রথমত এটি একেবারে অপ্রতুল। কমপক্ষে ৫০ লাখ টন ধান ক্রয় করা দরকার। মিল মালিকদের স্বার্থে ধানের থেকে বেশী চাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতি ইউনিয়নে ক্রয়কেন্দ্র না থাকায় খোদ কৃষকরা গুদামে ধান বিক্রি করতে পারছে না।

 

কৃষকদের থেকে কম দামে ধান কিনে সরকার নির্ধারিত দামে গুদামে ধান দিচ্ছে সরকারি দলের লোকেরা। শুধু তাই নয়, গ্রামীণ ক্ষেতমজুরদের সারা বছর কাজ নেই। ফলে প্রায় ৭ মাস তাদের খুবই কষ্টে চলতে হয়। আর্মি, পুলিশ রেশন পায় অথচ গ্রামীণ ক্ষেতমজুররা রেশন পায় না।

 

নেতৃবৃন্দ সার, বীজসহ কৃষি উপকরণের দাম কমানোসহ কৃষি-কৃষক ও দেশ বাঁচানোর জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart