1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন

ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাকডাকে সরগরম ৫নং মাছ ঘাট

নারায়ণগঞ্জ টাইমস
  • রবিবার, ২ মে, ২০২১
  • ১৩২
ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাকডাকে সরগরম ৫ নং ঘাটের মাছ বাজার

কাকডাকা ভোরে সেখানে শত শত মানুষের হাঁকডাক। ব্যস্ত সবাই মাছ নিয়ে। বড়, মাঝারি, ছোট বড় সব ধরনের মাছই আছে সেখানে। অতি ব্যস্ততায় দরদাম চলছে।

পাইকারি দরে বিক্রি হওয়া মাছ বরফের চাঁইয়ের তলে বন্দী হয়ে চলে যাচ্ছে বিভিন্ন বাজারে। এই প্রসিদ্ধ মাছ বাজারটি নারায়ণগঞ্জ শহরের শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ৫নং ঘাট এলাকায়। বাজারটি ৫ নং ঘাট মাছ বাজার হিসেবে পরিচিত।

গতকাল রোবাবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ৫নং মাছঘাটের চিত্র এটি। বলা হয়ে থাকে, এটি নারায়ণগঞ্জের সবচেয়ে পুরোনো পাইকারি মাছের আড়ৎ।

দিনের আলো ফুটতে না ফুটতে ক্রেতা-বিক্রেতার আনাগোনায় সরগরম হয়ে ওঠে এই বাজার। এই মাছ পরে জেলার বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হয়। এমনকি মাছ বিক্রেতারা মাথায় পাতিলে করে মাছ নিয়ে মহল্লায় মহল্লায় বিক্রি করে।

একদিকে রমজান মাস অন্যদিকে মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে লকডাউন তারপরও চলছে মাছের কেনাবেচা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ইলিশের দর কেজি প্রতি ৩৫০-১৩০০টকা পর্যন্ত, চিংড়ি কেজি প্রতি ২৫০-১২০০ টাকা, রুই মাছ কেজি প্রতি ১০০-১৫০ টাকা, পাঙ্গাশ ১২০-১৫০ টাকা প্রতি কেজি, শিং মাছ,পাবদা,পোয়া ইত্যাাদি ২৫০-৪৫০ টাকা প্রতি কেজি,।

এছাড়া ছোট মাছ যেমন কা”কি, পুটি, মলা-ডেলা এগুলো সাধারনত ১২০-২৫০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। মাছের দাম মূলত মাছের আকার, সজীবতার উপর নির্ভর করছে।

মাছ ব্যবসায়ী হায়দার আলী কর্মীদের নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন পাঙাশ মাছ নিয়ে। অল্প কিছু সময়ের মধ্যে তাদের সব মাছ বিক্রি হয়ে যাবে বলে আশা করছেন হায়দার আলী।

তিনি বলেন, অন্য বাজারের মাছ ব্যবসায়ীরা পাইকারি দরে এসব মাছ কিনে নেন। মাছের আকার অনুসারে একেক কেজি ১২০থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি করছেন তিনি।

অপরদিকে, মাছ ব্যবসায়ী নুরু মিয়া দু:খ প্রকাশ করে বলেন, করোনার জন্য খদ্দর অনেক কম। সব মাছ হিমাগারে রাখা যায় না। এই গজবের লাগি মানুষের হাতে টাকা নাই। আর যাদের টাকা আছে তারা বড় বড় মাছ কেনে।

নারায়নগঞ্জ মৎস্য সমিতির সভাপতি শামসের আলী জানান, এই মাছঘাটে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে থেকে মাছ আসে। প্রতিদিন এখান থেকে পাইকারি দরে মাছ কিনে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেন।

মাছের সরবরাহের ওপর কেনাবেচা নির্ভর করে। সরবরাহ যথেষ্ট থাকলে প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার মাছ বিক্রি হয়।

এছাড়াও আমরা ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা জামানত রেখে মহাজনদের সাথে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যবসার সুযোগ করে দেই।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart