1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৫:৩০ অপরাহ্ন

সস্তাপুর দাফন কমিটি নিয়ে যা বললেন নাহিদা বারিক

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:
  • বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭৯
সস্তাপুর দাফন কমিটি নিয়ে যা বললেন নাহিদা বারিক

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন সস্তাপুর এলাকায় “সস্তাপুর দাফন কমিটি” নামে একটি কবর খোড়ার সংগঠন রয়েছে। যুগান্তরের সাংবাদিক আলামিন প্রধানের নেতৃত্বে এ সংগঠনে মাওলানা উজিউল্লাহ, আনোয়ার হোসেন, পিয়াস, রেহেনা আক্তার ফেরদৌসি, সাহাবুদ্দিন, সালাউদ্দিন, নাজিম, মিলন, সালামসহ ১০জন ব্যক্তি সেচ্ছায় নিজস্বার্থে মৃত ব্যক্তিদের দাফনের জন্য কবর খুড়েন। প্রায় ৬ থেকে ৭ বছর যাবত তারা পরকালের সওয়াবের আশায় কবর খুড়ে আসছেন। করোনাকালীন সময় নারায়ণগঞ্জ সদরের আলোচিত ইউএনও নাহিদা বারিকের অনুরোধে ভয়ভীতি উপেক্ষা করে সেচ্ছাসেবী এ সংগঠনটি উপজেলা পরিষদের আশপাশের এলাকায় একাধীক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির মৃতদেহ দাফন করেছে। প্রতিটি মৃত ব্যক্তির দাফনেই ইউএনও নাহিদা বারিক এ সংগঠনটিকে সুরক্ষা সামগ্রী দিয়ে সহযোগীতা করেছেন।

গত ১৮ মার্চ রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে নাহিদা বারিককে জননিরাপত্তা বিভাগে সিনিয়র সহকারী সচিব পদে বদলি করায় হয়। বুধবার তিনি সকলের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিদায় নিয়েছেন। বিদায় নেয়ার আগে সস্তাপুর দাফন কমিটির হাতে কবর খোড়ার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, মাস্ক, গামবোড, সাবান তুলে দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, সস্তাপুর-কোতালেরবাগ কবরস্থান কমিটির সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক,সস্তাপুর মাজার মসজিদ কমিটির সাধারন সম্পাদক ইসমাইল প্রধান,দক্ষিন সস্তাপুর মসজিদ কমিটির সাধারন সম্পাদক শাহিন তালুকদার,রমজান মিয়া,হানিফ মিয়া, আহম্মদ মিয়া, শের আহম্মদ।
নাহিদা বারিক বলেন, করোনার প্রথম দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে একাধীক সংগঠন সেচ্ছায় কবর খোড়ার জন্য জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদে কমিটি জমা দিয়েছেন। কিন্তু কেউ স্বাভাবিক মৃত হলেও ওই কমিটির কাউকে একাধীকবার ফোন করেও খুঁজে পাইনি। অতপর সস্তাপুর দাফন কমিটিকেই ডেকে একাধীক মৃতদেহ দাফন করিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, ফতুল্লার তল্লা মসজিদে বিস্ফোরনে ৩৪জন মুসল্লি নিহত হয়। তখন সস্তাপুর দাফন কমিটি তাৎক্ষনিক ২০জন মৃত ব্যক্তির জন্য আতর, সাবান, সুরমাসহ কাফনের কাপড় দিয়ে উপজেলা প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছে। এছাড়া এ কমিটির সদস্যরা করোনা কালীন সময় সরকারি-বেসরকারি ত্রান ঘরে ঘরে পৌছে দিয়েছে। করোনা আক্রান্ত রোগিদের তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছে এবং রোগিদের সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর রেখেছেন। বর্তমানে করোনা আবারো বেড়েছে। এ কমিটি এলাকাবাসীর বিপদের বন্ধু বলে মনে করি।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart