1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

“আমি যদি মরে যাই”

নারায়ণগঞ্জ টাইমস:
  • সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ৬৫
“আমি যদি মরে যাই”

বরেণ্য অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী সদ্য প্রয়াত। কিন্তু তার অসংখ্যক স্মৃতি রয়ে গেছে। রয়ে গেছে না বলা অনেক কথা। যা তার জীবনদশায় প্রকাশ হয়নি। আজ প্রকাশিত হলো-‘কবরীর না বলা কথা’ পর্ব-৫। “আমি যদি মরে যাই”। লিখেছেন সাংবাদিক বিল্লাল হোসেন রবিন।

সারাহ বেগম কবরী বর্তমান সময়ের রাজনীতি প্রসঙ্গে বলেন, রাজনীতি করতে গিয়ে একটা লোভের সৃস্টি হয়। সেটা হলো আমি যদি গাড়ি কিনতে না পারি, বাড়ি করতে না পারি। ড্রয়িং রুম যদি সাজাতে না পারি। অথচ গান্ধিজী যে লেংটি পড়েছে তিনি রাজনীতির কাছে নিজেকে সমাপর্ণ করেছেন। তিনি তো মরতে চাননি। তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। কিন্তু তার স্বপ্ন সে বাস্তবায়ন করেছে। লেংটি পড়া মানুষটার ছবিটার দিকে তাকালেই তো মুুিক্তদ্ধের চেতনা। নিরাআবরন, চেইন নাই, ডায়মন্ডের আংটি নাই। একটা ভালো কাপড় নাই। একটা কাপড় পড়ে লোকটা মানুষের জন্য চিন্তা করেছে, সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেছে।

 

অথচ রাজনীতির মোড়কে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেও মুড়িয়ে রাখা হয়েছে। যে বঙ্গবন্ধু বলেছেন ভালোবাসাই আমার রাজনীতি, রাজনীতিই আমার ভালোবাসা। এই কথাটা আমি সব সময় বলি। কতবড় একটা মূল্যবান কথা। লুঙ্গি আর ফতুয়া পড়া, এই তো বঙ্গবন্ধু। টাই কোর্ট পড়তে পারেননি, তাতে কি। তার সফলতা ওইটাই। আজ নতুন প্রজন্ম তাঁও আত্মজীবনী পড়ে তাঁর সম্পর্কে জানতে পারছে।

কবরী বলেন, আমি যদি মরে যাই, আমি যে দুইটা কথা বলতে পেরেছি। সেটা যদি লেখা থাকে তাহলে কখনো পুরনো কাগজ ঘাটতে ঘটতে নতুন প্রজন্ম আমার সম্পর্কে জানতে পারবে। এই মানুষটি (কবরী) দেশ এবং দেশের মানুষের মুক্তি জন্য যুদ্ধ করেছে। এর চেয়ে বড় আর কী চেতনা হতে পারে। এটা তো টাকা দিয়ে কেনা যাবে না। আমরা কী কখনও এভাবে ভাবি? লক্ষ লক্ষ শহীদের কথা চিন্তা করতে হবে। যে মা নিজে না খেয়ে সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিয়েছে। যে বাবা-নিজের প্লেটের মাছ সন্তানের পাতে তুলে দিয়েছে। সেই সন্তানকে আর ফিরে পাবে? সেই চিঠি (মুক্তিযুদ্ধের সময়ের) গুলি পড়ে চোখের পানি রাখা যায় না। ভাত কাপড় দিতে না পরলে একটা মানুষের মাথায় হাত ভুলিয়ে দিলেও তার কিছুটা স্বস্থি আসে। কিন্তু আমরা সেটা করছি?

কিংবদন্তি এই অভিনেত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কী হীরা? স্বর্ণ? এটাকে ভাঙ্গিয়ে খাওয়ার কোন অবকাশ নাই। এইটার আলোটা যদি আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ছড়িয়ে দিতে পারি। সেদিনই হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। আগামী পর্বে পড়ুন- “আমি পারলে তো তার প্রেমে পড়ে যাই”।

 

আরও পড়ুন :আমি দুই জায়গায়ই সার্থক

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart