1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ১০:০৫ অপরাহ্ন

না.গঞ্জ সিআইডির ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ টাইমস :
  • বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৩৭

 নারায়ণগঞ্জ জেলা সিআইডি পুলিশের এক ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে ৩ লাখা টাকা ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ করেছেন এক নারী। অপহরণ করে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দিতে তিনি এই টাকা নিয়েছেন, এবং আরো ৫ লাখা টাকা ঘুষ দাবী করেছেন।

বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) দুপুরে সিআইডির হেড কোয়ার্টারের অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শকের কাছে এমন অভিযোগ করেন রুমেলা আহসান নামে এক নারী।

আরও পড়ুন নিতাইগঞ্জে গাড়ি রাখা নিয়ে চাঁদাবাজি করতে দিবো না : এসপি

অভিযোগকারী রুমেলা আহসান বলেন, আমি পিতৃ মাতৃহীন ও বিধবা নারী। দুই শিশু সন্তান নিয়ে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকায় বাবা মায়ের রেখে যাওয়া বাড়িতে বসবাস করি। আমার বাবার রেখে যাওয়া বাড়ি ঘর আমার চাচাতো ভাই বোন ও বোন জামাই জোর করে দখল করার পায়তারা করছে। এরমধ্যে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর আমার চাচাতো ভাই বোন ও বোন জামাই অসুস্থ অবস্থায় আমাকে অপহরন করে কাশিপুর হিরু আলমের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে ধর্ষনের চেষ্টা চালিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার কাছ থেকে ৮/১০টি সাদা ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে টিপসই ও স্বাক্ষর নেয়। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিআইডির ইন্সপেক্টর বাবুল হোসেন তদন্তের দায়িত্ব পায়।
ওই নারী আরো বলেন, ইন্সপেক্টর বাবুল হোসেন আমাকে সাক্ষীদের নিয়ে তার অফিসে যেতে বলেন। আমি ৪জন সাক্ষী নিয়ে তার অফিসে গিয়ে দেখি আমার মামলার বিবাদীরা বসে কথা বলছে। আমাকে দীর্ঘ সময় বাহিরে বসিয়ে রেখে সাক্ষীসহ তাড়িয়ে দেয়। পরে ডেকে এনে বাবুল হোসেন ১০ লাখ টাকা দাবী করেন। প্রতিবেদন পক্ষে চাইলে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। আর নয়তো বিবাদীদের সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের পক্ষে প্রতিবেদন যাবে। বাবুল হোসেনের এমন দাবীতে ভয় পেয়ে তিনজন আইনজীবীর সামনে প্রকাশ্যে ৩ লাখ টাকা দিয়েছি অনেক কষ্ট করে। এখন তিনি আরো ৫ লাখ টাকা দাবী করেন। এ বিষয়ে সিআইডির উর্ধ্বতন অফিসারের বরাবর আবেদন করেছি। একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা পাল্টাতে আমি আমার আইনজীবীকে দিয়ে আদালতে আবেদন করিয়েছি।
রুমেলা আহসানের অভিযোগ অসত্য ও মিথ্যা দাবী করে নারায়ণগঞ্জ সিআইডির ইন্সপেক্টর বাবুল হোসেন বলেন, বাদী জানেন তার মামলা মিথ্যা সে কোন সাক্ষী দেখাতে পারেনি। তাই তার পক্ষে প্রতিবেদন নিতে আমাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমি তার কাছ থেকে কোন ঘুষ নেইনি।

প্রসঙ্গত : ৪ সেপ্টেম্বর ফতুল্লার পশ্চিম তল্লায় বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলাটি নারায়ণগঞ্জ সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওই মামলার তদন্ত টিমের প্রধান হচ্ছেন সিআইডির ইন্সপেক্টর বাবুল হোসেন।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart