1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন

সোনারগাঁয়ের আলোচিত হাবু ডাকাত গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ টাইমস :
  • বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৭২

সোনারগাঁ উপজেলাার বারদী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও একাধিক ডাকাতির মামলার আসামী হাবিবুর রহমান হাবু ডাকাতকে গ্রেফতার করছে শাহাবাগ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শাহাবাগ থানা এলাকা থেকে হাবিবুর রহমান ওরফে হাবুকে গ্রেফতার করা হয়েছে ।

সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করা মামলায় বারদী ইউনিয়নের মেম্বার ডাকাত সর্দার হাবিবুর রহমান ওরফে হাবু ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়।।

গ্ৰেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে শাহাবাগ থানা গোয়েন্দা (ডিবি ) পুলিশ পরিদর্শক ( নিরস্ত্র ) মাহবুবুর রহমান বলেন, সোনারগাঁ থানার একটি মামলায় হাবিবুর রহমান ওরফে হাবুকে গ্ৰেপ্তার করা হয়েছে । আমরা তার মামলার বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মান্দারপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান হাবু ওরফে ডাকাত হাবু ২০/২৫ জনের একটি বাহিনী তৈরি করে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতাসহ বিভিন্ন অপকর্ম পরিচালনা করে আসছে। এ বাহিনীর অত্যাচারে বারদী ইউনিয়নের পাইকপাড়া, গোলায়পাড়া, মান্দারপাড়া, মসলেন্দপুর, নাকুরিয়াহাটি, চেঙ্গাকান্দি, নুনেরটেক, আলগীরচর, দলরদী, শেখের চরসহ ১০ গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ। এ বাহিনীর অন্যতম সদস্য হল- মোতালেব, নূর আমিন, কবীর, সামি আক্তার, শাহাজালাল, ডালিম, নূর মোহাম্মদ, দীন ইসলাম, আশিক, ফাহিম ও ফালান মিয়া।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতার প্রতিবাদ করায় হাবু ও তার বাহিনী গত সাড়ে ৩ মাসে ১০ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেছে। ভাংচুর ও লুটপাট করেছে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। ২৮ মে চাঁদার দাবিতে শান্তিরবাজারে নজরুল ইসলামের দোকান ভাংচুর করে হাবু ও তার লোকজন। চাঁদাবাজিতে বাধা দেয়া যুবক শাকিল ও উজ্জ্বলকে কুপিয়ে আহত করা হয়।

এছাড়া ডাকাত হাবু, জাফর, হোসেন, ফারুক মেম্বার, সানু মেম্বার ও সানাউল্লাহ সিন্ডিকেট ১২ জুলাই শান্তিরবাজার এলাকায় আবদুল মতিনের জমি দখলে নিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ভুক্তভোগী আবদুল মতিনের পক্ষে যুবলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম কথা বলায় হাবু ডাকাতের নেতৃত্বে ১৮-২০ জনের একটি দল তাকে কুপিয়ে যখম করে। আমিনুল ইসলাম বর্তমানে ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। হাবু ডাকাতের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে ১৪ জুলাই এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শান্তিরবাজার এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, হাবু গরু চুরি ও ডাকাতি মামলায় একাধিকবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেও পরে ছাড়া পেয়ে যায়। ডাকাত হাবুর বিরুদ্ধে ভোট কেন্দ্র দখল, ককটেল বিস্ফোরণ, স্থানীয় এক প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। সোনারগাঁ ও আড়াইহাজার থানায় তার বিরুদ্ধে  ডাকাতি, চুরি, মাদক, অস্ত্রসহ ১১টি মামলা রয়েছে।

 

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart