1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ১২:১৯ অপরাহ্ন

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না জেলা বিএনপির

নারায়ণগঞ্জ টাইমস
  • শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৪৮
বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না জেলা বিএনপির
বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না জেলা বিএনপির

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি নিয়ে বিতর্ক কাটছেই না। কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন এমন কিছু ব্যক্তি, যারা বিগত সময়ে ছিলেন আওয়ামী লীগ ঘেঁষা। ফলে রাজনৈতিক মামলা-হামলা থেকে বরাবরই তারা ছিলেন সুরক্ষিত।

এমন নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিদের দ্বারা জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি সাজানো হলেও আগামীকে এর ব্যাপক প্রভাব পড়বে দলটিতে। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধা মহল।

সূত্র বলছে, ৪৮টি মামলার বোঝা কাঁধে নিয়েও শুরুতে আহবায়ক কমিটিতে জায়গা ছিলো না জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুকুল ইসলাম রাজীবের।

পরবর্তীতে কো-অপ্ট করে সদস্য হিসেবে আহবায়ক কমিটিতে রাজীবের অন্তর্ভূক্তি হলেও কমিটিতে জায়গা হয়নি আরো বহু ত্যাগী নেতাদের।

অথচ, বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে নিজেদের গুটিয়ে রাখা নিষ্ক্রিয় নেতাদের জায়গা হয়েছে আহবায়ক কমিটিতে। নিষ্ক্রিয়দের মধ্যে যুগ্ম আহবায়ক হয়েছেন  মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এবং নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা।

আর সদস্যদের মধ্যে রিয়াজুল ইসলাম ও আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাসসহ আরো বেশ কিছু নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিদের জায়গা হয়েছে। এদের মধ্যে আবুল কালাম আজাদ বিএনপি নেতাদের কাছেই আওয়ামী লীগের দালাল হিসেবে পরিচিত।

সূত্র জানায়, বিগত সময়ে সরকার দলীয় নেতাদের সাথে আঁতাত করায় তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা নেই।

 ২য় যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বিগত দিনের কর্মসূচিতে ছিলেন নিষ্ক্রিয়। ফলে তার বিরুদ্ধেও কোন রাজনৈতিক মামলার তথ্য পাওয়া যায়নি।

তাছাড়া, বিগত তারাবো পৌরসভার নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নাসির উদ্দিনকে মনোনিত করা হলেও বিএনপি নেতাদের একটি পক্ষের অভিযোগ, নাসির উদ্দিন আওয়ামী লীগের কাছে মাথানতো করে গোপনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে মনোনয়ন বিক্রি করে দিয়েছে। ফলে তাকে নিয়েও চলছে সমালোচনা।

পান্না মোল্লাও ইতিপূর্বে সক্রিয় ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগও রয়েছে।
এদিকে, আহবায়ক কমিটিতে সদস্য পদে ঠাঁই পাওয়া রিয়াজুল ইসলামও নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা নন বলে সূত্র জানিয়েছে। তিনি ঢাকায় বসবাস করছেন। তাছাড়া, বিগত সময়ে তার রাজনৈতিক ইতিহাস নেই। আন্দোলন সংগ্রামেও দেখা মেলেনি তার। এমন ব্যক্তি দলে ঠাই পাওয়ায় তা নিয়ে চলছে সমালোচনা।

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না জেলা বিএনপির

এদিকে আহবায়ক কমিটি আসার পর জেলা বিএনপি বড় পরিসরে দুটি কর্মসূচি পালন করে বাহবা কুড়ালেও পরবর্তীতে পূরনো সেই চিত্র ফুটে উঠে দলটির মাঝে। দলীয় কর্মসূচিও উপেক্ষা করেছে দলটি।

সম্প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার কারাবন্দি দিবসের কর্মসূচিও পালন করেনি বিএনপির আহবায়ক কমিটি। উপরন্ত আহবায়ক কমিটির মতবিনিময় সভায় তৈমূর আলম খন্দকারের বাসার সামনে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে।

এদিকে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মাসদাইরস্থ মজলুম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সক্রিয় নেতাদের তোপের মুখে পড়ে নিষ্ক্রিয় নেতারা। আগামীতে থানা ও পৌর কমিটিতে যেন স্বজনপ্রীতি বা অর্থের কাছে মাথা নত করা না হয়, সেই বিষয়ে কড়া বক্তব্য রাখেন কমিটিতে স্থান পাওয়া ত্যাগী নেতারা।

এর প্রেক্ষিতে আহবায়ক তৈমুর আলম খন্দকার ও সদস্য সচিব মামুন মাহমুদ সদস্যদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘যারা প্রকৃত নেতাকর্মী, আন্দোলন সংগ্রামসহ দলীয় কাজে যারা সক্রিয়, তাদের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হবে। কারো কোন চাপ বা প্রভাব তোয়াক্কা করা হবে না। কমিটিগুলো যেন কারো পকেট কমিটি না হয়, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।’

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart