1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন

ফতুল্লায় বিএনপির নতুন কমিটি চান তৈমুর

নারায়ণগঞ্জ টাইমস
  • বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৭৫
ফতুল্লায় বিএনপির নতুন কমিটি চান তৈমুর

 ফতুল্লা থানা বিএনপির বর্তমান আহবায়ক কমিটি টিকিয়ে রাখতে চান আহবায়ক এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বিশ^াস ও সদস্য সচিব পান্না মোল্লা। তারা চান যেকোনো মূল্যে তাদের এই কমিটি টিকিয়ে রাখতে। আর এই টার্গেটকে সামনে রেখে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটিকে চাঁপ দেয়া হচ্ছে।

বিশেষ করে আহবায়ক এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারকে বলা হচ্ছে তিনি যেনো এই কমিটি রেখে দেন। অথচ জেলায় বিএনপিকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করার জন্যই নতুন আহবায়ক কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

তাই যদি এই ভাবে পূরোনো ও একপেশে কমিটি বহাল রাখাই হয় তাহলে জেলা বিএনপি কি দায়িত্ব পালন করবে? দলকে ঢেলে সাজাবেই বা কি করে? যদিও বিএনপির গঠনতন্ত্রে জেলা বিএনপিকে সব ক্ষমতা দেয়া আছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির আইনজীবী এডভোকেট সাখাওয়াৎ হোসেন খান।

এ বিষয়ে বিএনপির গঠনতন্ত্রে কি আছে জানতে চাইলে এডভোকেট সাখাওয়াৎ হোসেন খান বলেন, এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপিকে ক্ষমতা দেয়া আছে। তারা চাইলে আগের থানা কমিটি রাখতে পারেন আবার ভেঙ্গেও দিতে পারেন। এই এখতিয়ার তাদেরকে দেয়া আছে। তাই তারা কি করবেন এটা তাদের বিষয়।

এদিকে ফতুল্লা থানা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন তারা আর কোনো মতেই এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বিশ^াসকে ফতুল্লা থানা বিএনপির কোনো ভাইটাল পদে দেখতে চান না।

ফতুল্লায় বিএনপির এই করুন অবস্থার জন্য প্রকাশ্য ভাবেই তিনি দায়ী। তিনি বিগত এক যুগ ধরে বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে আসলে কি করছেন এটা জানে সবাই। তিনি সরকারী দলের স্বার্থ রক্ষা করে চলছেন।

আজাদ বিশ^াসের কারনে ফতুল্লা থানায় বিএনপি এখন সাংগঠনিক ভাবে জিরোতে পরিনত হয়েছে। আজাদ আর পান্না মোল্লা বিএনপিকে কেবলই সাংগঠনিক ভাবে দূর্বল করা ছাড়া দলটির জন্য কিছুই করতে পারেননি এবং করতে চানওনি।

তাই এই কমিটি বহাল থাকার অর্থই হলো ফতুল্লায় স্থায়ী ভাবে বিএনপির কবর রচনা করা। এছাড়া আজাদ আর পান্না মোল্লার আহবায়ক কমিটি হলো একপেশে কমিটি। এই কমিটিতে বিএনপির বহু দিনের পরিক্ষীত নেতাদের অনেককেই রাখা হয়নি।

যারা দলের জন্য নিবেদিতপ্রান তাদের অধিকাংশকেই বাদ দেয়া হয়েছে। অধ্যাপক মনির, স ম নূরুল ইসলাম, হাজী মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, জালাল উদ্দিন জালাল, আলাউদ্দিন খন্দকার শিপন, কবির প্রধান সহ আরো অনেক নেতাকে রাখাই হয়নি।

আর আজাদ বিশ^াস যে কি চিজ সেটাতো এখন সকলেরই জানা। খোদ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও তাকে নিয়ে হাসাহাসি করেন। তারা প্রকাশ্যেই বলেন আজাদ আর পান্না মোল্লার মতো নেতারা যতোদিন বিএনপির নেৃতত্বে আছেন ততোদিন বিএনপিকে নিয়ে তাদের কিছু ভাবতে হবে না।

কারন আর যাই হোক তারা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে না। তাই এমন একটি আহবায়ক কমিটি যদি বহাল রাখা হয় তাহলে সহজেই বুঝা যাবে আসলে এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার কি করতে চান।

জেলা বিএনপির নতুন আহবায়ক কমিটিই বা বিএনপিকে কতোটুকু টেনে তুলতে পারবে সেই প্রশ্ন দেখা দেবে সারা জেলায়। তাই তৈুমর আলম খন্দকারের উচিৎ হবে শুধু ফতুল্লায় নয়, বরং সারা জেলায়ই বিএনপিকে নতুন করে ঢেলে সাজানো।

আর এই জন্য তার মেরুদন্ড যে সোজা আছে তার প্রমান দিতে হবে। অন্যথায় বিএনপির জন্য আরো করুন অবস্থা অপেক্ষা করছে। যার দায়ভার এডভোকেট তৈমুর আর অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে বহন করতে হবে।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart