1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বন্দরে পচা গরুর মাংস বিক্রির অপরাধে ২০ হাজার টাকা জরিমানা মদনপুর ইউনিয়ন যুবদলের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া বক্তাবলী ইউনিয়ন আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল মিয়ার  ইফতার মাহফিল সিদ্ধিরগঞ্জে সাংবাদিক শাওনের জন্মদিন পালন রোটারী ক্লাব অব আবাবিল না’গঞ্জ ও দশ টাকায় মানব সেবার ঈদ সামগ্রী বিতরণ কাশিপুরে যুবলীগ নেতার উদ্যোগে গরুর গোস্তসহ ঈদ সামগ্রী বিতরণ ফরাজীকান্দা উত্তরপাড়া তরুন সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল  স্বপ্নচূড়া সমাজ কল্যাণ যুব সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ প্রকাশ সমাজ কল্যান সংস্থ্যার উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ নাসিকের ২৫নং ওয়ার্ডে পানির জন্য হাহাকার

‘জনগণের দৃষ্টি অন্য দিকে ফেরাতে ন্যাক্কারজনক সিদ্ধান্ত’

নারায়ণগঞ্জ টাইমস :
  • বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৪০
‘জনগণের দৃষ্টি অন্য দিকে ফেরাতে ন্যাক্কারজনক সিদ্ধান্ত’

সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহনে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির শীর্ষনেতারা। চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে। নেতারা বলেন, সরকার তার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্যই এইধরনের ভয়ংকর নিকৃষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়াস চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পরে সরকারের পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। দেশের মানুষের দৃষ্টি অন্য দিকে প্রবাহিত করতেই এই অবৈধ সরকার এ ধরনের একটি ন্যাক্কারজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপি নেতা আরও বলছেন, মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদান তাঁর শত্রুরাও স্বীকার করেন। সেখানে যদি এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা হবে মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চরম অসম্মান ও অবমাননা।

তৈমুর আলম ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদ
জেলা বিএনপির আহবায়ক তৈমুর আলম খন্দকার ও সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদ সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহনে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির পক্ষে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন।
বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা বলেন, যেই জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণায় দিশেহারা জাতি সাহসী হয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলো, যেই জিয়াউর রহমান একজন অন্যতম সেক্টর কমান্ডার হয়ে হাজার হাজার মুক্তিযুদ্ধাকে সংগঠিত করেছিলেন।

অসামান্য বীরত্ব ও দক্ষতায় যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান এর “বীর উত্তম” খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অর্থ হলো সমগ্র মুক্তযুদ্ধকে অপমান করা, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসকে অস্বীকার করার প্রচেষ্টা করা।

বন্দুকের নল এবং শঠতায় ভর করে সরকার ক্ষমতায় বসে থাকা এই সরকার তার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্যই এইধরনের ভয়ংকর নিকৃষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়াস চালিয়েছে।

ক্ষমতার দম্ভে অন্ধ হয়ে তারা বিএনপিকে ধ্বংস করার পায়তারায় একের পর এক হীনপন্থা অবলম্বন করে যাচ্ছে, জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের প্রচেষ্টা এই ধরনের একটি জঘন্য প্রতিহিংসাপরায়ন কাজ।

আসলে তারা মনে করেছে, জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নিয়ে তারা জিয়াউর রহমানের অনন্য ইতিহাস মুছে ফেলতে পারবে, বাংলাদেশের কোটি কোটি জনগণের অন্তর থেকে জিয়া ও জিয়া পরিবারকে সরিয়ে দিতে পারবে।

কিন্তু এই ভ্রষ্ট সরকার গত ১৪ বছরে বিএনপির উপর এতো অন্যায় অত্যাচার করে, জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করার নানা প্রকারের চেষ্টা করেও কি বুঝতে পারে নাই যে জিয়াউর রহমান ও তার দল বাংলাদেশের মানুষের কাছে পর্বতসম আস্থারস্থল, যা শতচেষ্টা করেও টলানো যাবে না।

আমরা স্পষ্ট ভাষায় সরকারকে বলে দিতে চাই, আপনারা আপনাদের এই জঘন্য হীন প্রচেষ্টা থেকে বিরত থাকুন, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সমরনায়ক জিয়াউর রহমানকে অপমান করার মাধ্যমে মুক্তযুদ্ধ ও সমস্ত মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অপমান করবেন না।

এই দেশটাকে বিশ্বের দরবারে আর হেয় করবেন না। মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করার নির্দেশনা দিন। না হলে, চরম আন্দোলনের মাধ্যমে এই ধরনের হীন চেষ্টার দাতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে।

নজরুল ইসলাম আজাদ

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে বাতিলের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এটা সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

বুধবার ( ১০ ফেব্রুয়ারি ) এক বিবৃতিতে নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই বসে ছিলেন না। তিনি দীর্ঘ ৯ মাস সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দেশে থেকে লড়াই করেছেন । বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ শুধু নয়, সারা পৃথিবীর মানুষ জানে যে । তার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরু হয়েছিল।

তিনি বলেন, এই খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল নিয়েছে এবং তারা সরকারকে জানাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি মনে করি, এই সরকারের অপকর্ম এবং যে সমস্ত দুর্নীতির চিত্র বেরিয়ে আসছে বিভিন্নভাবে, তা থেকে জনগণের দৃষ্টি দূরে সরিয়ে দেয়ার জন্যই এটা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি কলঙ্ক লেপন করা হলো। আমি এহেন সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এড. সাখাওয়াত
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, সরকারের বর্তমান অবস্থা টালমাটাল। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পরে সরকারের পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। দেশের মানুষের দৃষ্টি অন্য দিকে প্রবাহিত করতেই এই অবৈধ সরকার এ ধরনের একটি ন্যাক্কারজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু সরকারের এ সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে, দেশের মানুষের মনে জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা আরো বৃদ্ধি পাবে। কারন বাংলার মানুষকে গণতন্ত্র শিখিয়েছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। মহান মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গনে থেকে একটি ফোর্সকে নেতৃত্ব দিয়ে দেশ স্বাধীন করতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। তাই এ ইতিহাস বাংলার মানুষের মন থেকে কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। কারণ জিয়াউর রহমানের দর্শন নতুন প্রজন্মকে আরো বেশী করে জাতীয়তাবাদী আদর্শে উদ্বুদ্ধ করবে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

এড. সাখাওয়াত আরও বলেন, সরকার যেটা করতে যাচ্ছে সেটা একটি অপরাধ এবং এর পরিনাম খুবই ভয়াবহ হবে। কারন ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না। আজ তারা যা করছে একদিন সেটাই কয়েকগুণ বড় হয়ে তাদের উপরই ফেরত আসবে। একদিন হয়তো তাদের দলের কোন বড় নেতার খেতাবও কেড়ে নেয়া হবে আর তখন তাদের প্রতিবাদ করার ভাষাও থাকবে না। কারন তাদের দেখানো পথেই হাটবে ভবিষ্যত প্রজন্ম। সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, যেমন কর্ম তেমনই তার ফল।
প্রসঙ্গত, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এবং মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় জড়িত থাকা এবং রাজাকারদের রাজনীতিতে পুনর্বাসনসহ আরো নানা অভিযোগ।

কাউন্সিলের ওই একই বৈঠকে, খোন্দকার মোশতাক আহমেদের নাম মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ‘স্মরণীয় বরণীয়’ ব্যক্তি হিসেবে যে রাষ্ট্রীয় তালিকা, সেখান থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর করা বা না করা নির্ভর করছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করবে।

মাকসুদুল আলম খোরশেদ
মহানগর যুবদলের সভাপতি কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় পদক বাতিলের সিদ্ধান্ত মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি চরম অবমাননা।

তিনি মনে করেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শামিল। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। তিনিই প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ শুরু করেন এবং তিনি প্রথম বিদ্রোহ করেন কালুরঘাট থেকে।

তিনি মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, জেড ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে?’ স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ সরকারই ক্ষমতায় ছিল। তারাই তো জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে জিয়াউর রহমানকে সর্বোচ্চ খেতাব বীর উত্তম উপাধি দিয়েছিল।

এখন অন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শামিল হবে। জনগণ এ সিদ্ধান্ত মেনে নিবে না। এধরণের হটকারী সিদ্ধান্ত আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই সরকার ইচ্ছা করে করেছে।
খোরশেদ আরো বলেন, যদি সরকার এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তা হবে দুর্ভাগ্যজনক। এটা সম্পূর্ণভাবে মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা করা হবে।

কারণ, মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদান তাঁর শত্রুরাও স্বীকার করেন। সেখানে যদি এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা হবে মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চরম অসম্মান ও অবমাননা।

মাশুকুল ইসলাম রাজিব
জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মাশুকুল ইসলাম রাজিব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার ব্যক্তিগত আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেছেন, দেশনেত্রীর সাজা,তারেক রহমানের সাজা, সর্বশেষ জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত সবই আমাদের ঐ মনোভাবের ফল। আর এই ঝুমলাবাজ মিথ্যাবাদি সরকার জিয়া পরিবারের উপর যতকিছুই করুক যত অপবাদ দেক এদেশের মানুষ কখনোই সেটা বিশ্বাস করেনি করবেও না কোনদিন । কারন জিয়া মানেই বাংলাদেশ, জিয়া মানেই দেশপ্রেম,জিয়া মানেই সত্যিকারের গনতন্ত্র, জিয়া মানেই সততার সবার সেরা উদাহরন, জিয়া মানেই এদেশের প্রতিটি দেশপ্রেমীক মানুষের হৃদয়ের গভীরে শ্রদ্ধার একটি নাম । তাই শতচেস্টা করেও এ নামের ক্ষতি কেউ করতে পারেনি পারবেও না।

মাশুকুল ইসলাম রাজিব তার নিজস্ব ফেইসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাস তা হুবুহু তুলে ধরা হলো, নতজানু রাজনৈতিক রন কৌশল, আপোষকামী, মোসাহেবি, চামচামি মানুষিকতাদের দায়িত্বে রেখে এরকম অন্যায় জুলুম কে যে প্রতিহত করা যায়না তা বারবার প্রমানিত। অবৈধ সরকারের অন্যায় জুলুমের কার্য়ত কোন প্রতিবাদ না করে মিউ মিউ করে বলার জন্য বলা এরকম আচরন প্রকারান্তরে তাদের সব অন্যায় কে মেনে নেয়ার সামিল এবং সেটাই করা হচ্ছে বারবার।দেশনেত্রীর সাজা,তারেক রহমানের সাজা, সর্বশেষ জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত সবই আমাদের ঐ মনোভাবের ফল। আর এই ঝুমলাবাজ মিথ্যাবাদি সরকার জিয়া পরিবারের উপর যতকিছুই করুক যত অপবাদ দেক এদেশের মানুষ কখনোই সেটা বিশ্বাস করেনি করবেও না কোনদিন ———-কারণ জিয়া মানেই বাংলাদেশ, জিয়া মানেই দেশপ্রেম,জিয়া মানেই সত্যিকারের গনতন্ত্র, জিয়া মানেই সততার সবার সেরা উদাহরন,জিয়া মানেই এদেশের প্রতিটি দেশপ্রেমীক মানুষের রিদয়ের গভীরে শ্রদ্ধার একটি নাম। তাই শতচেস্টা করেও এ নামের ক্ষতি কেউ করতে পারেনি পারবেও না। পারিনি শুধু আমরা এই নামের আদর্শিক শক্তিকে ব্যবহার করতে যেদিন এটা পারবো ব্যবহার করতে সেদিন মুহূর্তে বিলীন হয়ে যাবে সব অপশক্তি।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) এর সভায় মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর সেক্টর কমান্ডার, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের “বীর উত্তম” খেতাব বাতিল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart