1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন

লিখিত অভিযোগের পরও ফতুল্লায় অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল ভবন

স্টাফ রিপোর্টার (বাংলা ২৪ বিডি নিউজ):
  • শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৮৫

ফতুল্লার দাপা পোস্ট অফিস রোডের ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পশ্চিমে রাজউকের নকশার অনুমোদন ছাড়াই গড়ে তোলা হচ্ছে একই মালিকের একাধিক ঝুকিপূর্ণ বহুতল আবাসিক ভবন। এ বিষয়ে রাজউক কর্তৃপক্ষের বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলেও রাজউক কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেনি কোন কার্যকরী পদক্ষেপ।

রাজউক কর্মকর্তারা ভবন মালিকের সাথে সমঝোতা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ নির্মাণাধীন ভবনটি অবিলম্বে ভেঙ্গে দিয়ে প্লট মালিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজউকের কাছে আবেদন করেছেন পার্শ্ববর্তী এক বাড়ীর মালিক।

অপরদিকে নির্মানধীন ভবনগুলোর পাশেই একই মালিকের দিপ্তি ডাইং নামক একটি কারখানাকে একতলা টিন সেড থেকে নির্মান করা হচ্ছে বহুতল।

 সরজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা গেছে, ফতুল্লা পোস্ট অফিসরোডস্থ ইউনিন পরিষদ গলি সংলগ্ন একটি ডাইং কারখানা সহ দুটি বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ করছেন মালিক রফিকুল ইসলাম টিপু। তিনি সরকারী ইমারত বিধিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে রাজউকের নকশার অনুমোদন ছাড়াই বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন এবং এক তলা ডাইংটিকে বহুতল করার কাজ করছেন। ইতিমধ্যে একটি ছয়তলা ভবন নির্মান করেছেন এবং আরো একটি ভবন নির্মান কাজ করছেন। নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে অত্যন্ত নিম্নমানের ইট, বালু, রড ও খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। এভাবেই গড়ে উঠছে একটির পর একটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন। এই ভবনগুলো যে কোন সময় ধসে কিংবা পার্শ্ববর্তী বাড়ীর উপর হেলে পড়তে পারে এবং ডাইংটিও ধ্বসে পরতে পারে ফলে সাভারের রানা প্লাজার মতো জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবার সম্ভাবমা রয়েছে।

অনুমোদনহীন দুর্বল ভিত্তির উপর একের পর এক ছাদ ঢালাই হচ্ছে দেখে আশপাশের বাড়ীর মালিকগন পরিবার পরিজন নিয়ে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।নির্মানধীন ভবনটি সাধারন একতলা বাড়ী নির্মাণ করার লক্ষ্যে প্রথমে ইটের গাঁথুনী দিয়ে নিচ থেকে কাজ করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে মালিকের নির্দেশে পরে ছাদ দেয়ার জন্য ইটের গাঁথুনীর ফাঁকে ফাঁকে বেজবিহীন অপরিকল্পিত কলাম দাড় করানো হয়। তরিঘড়ি করে এই দুর্বল ভিত্তির উপরই বহুতল ভবন নির্মান কাজ চলছে।

জানা যায়, বহুতল ভবন নির্মান এবং ডাইং কারখানা একতলা থেকে বহুতল করার জন্য রাজউকের কোন নকশা অনুমোদন নেই। প্রথম শ্রেণীর প্রকৌশলীর হাতের স্ট্রাকচার ডিজাইনও নেই। মালিক রফিকুল ইসলাম টিপু নিজের ইচ্ছায় যখন যা মনে করেন, সেভাবেই নির্মাণ কাজ করে চলেছে।

রাজউকের নারায়নগঞ্জ শাখার ইমারত পরিদর্শক মো: বক্করের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি আনিত অভিযোগের ভিত্তিতে মুঠোফোনে কোন প্রকার কথা বলবেনা বলে জানিয়ে তাদের নারায়নগঞ্জ জোনের রাজউক অফিসে গিয়ে তার সাথে সরাসরি কথা বলার জন্য বলেন।কিন্তু দুইবার গিয়েও তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। এমনকি তাকে একাধিকবার ফোন করলেও সে ফোন রিসিভ করেনি আর তাই লিখিত অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজউক কর্মকতাদের পদক্ষেপের বিষয়ে ও জানা যায়নি।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart