1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:০১ অপরাহ্ন

পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় : আনোয়ার হোসেন

নারায়ণগঞ্জ টাইমস :
  • সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১২৫
পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় : আনোয়ার হোসেন

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু আদর্শের বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবনবাজি রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি জেলা পরিষদের মাধ্যমে শিক্ষিত ও গৃহিনীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিনা খরচে সেলাই মেশিন প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল কর্মসংস্থান কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেয়া ও ভ্যান গাড়ী বিতরণ করা হয়। জেলা পরিষদের মাধ্যমে মানুষের কল্যাণ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হচ্ছে। বিনা খরচে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেলাই মেশিন বিতরণ ও ভ্যান গাড়ী দেয়া হয়, সেখানে জেলা পরিষদের অর্থায়ন থেকে ব্যয় হয়। এখান থেকে প্রশিক্ষণ ও সনদ নিয়ে বাহিরে চাকরি নিতে পারবেন, ঘরে কাজ শুরু করুণ, যেন রুটি রুজির খরচ আসে। সরকার চায়, দেশের কোন জনগণ যেন কর্মহীন না থাকে। আপনাদের সন্তান, মা, স্বজনদের এই প্রশিক্ষণ দিন, যেন তারাও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করতে পারে। বর্তমানে দেশের মানুষ উন্নত থাকুক, ওরা চায় না।

সোমবার (৭ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় জেলা পরিষদের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে শিক্ষিত বেকার যুবক ও যুবতীদের বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষন কোর্সের শুভ উদ্বোধন ও সনদপত্র বিতরণ এবং অসহায় ও দুস্থ মহিলাদের বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণসহ সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় কোর্স সমাপ্ত হওয়ায় ১০ জন প্রশিক্ষনার্থীর মাঝে সনদপত্র বিতরণ ও ১০ জনের নতুন ব্যাচ শুরু করা হয়। আর দু:স্থ মহিলাদের দুই ব্যাচে ৮০ জনকে সেলাই প্রশিক্ষনসহ সেলাই মেশিন মেশিন বিতরণ করা হবে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাহমুদা মালা, সদস্য মোস্তফা হোসেন চৌধুরী, সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ওয়ালি উল্লাহ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী কাঞ্চন কুমার পালিত, প্রশাসনিক কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান ও প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষনার্থীসহ জেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

আনোয়ার হোসেন আরো বলেন, বর্তমানে দেশে স্বাধীনতা বিরোধীরা ফের মাথাচাড়া দিতে চাইছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও তার কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও বদনাম করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আপনারা যারা নারী-পুরুষ রয়েছেন, আপনারা এই অপপ্রচার থেকে বিরত থাকবেন। সব দেশে ভাস্কর্য রয়েছে, কোন কোন দেশে তাদের দেশ প্রধান, বাদশা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ভাস্কর্য রয়েছে। আর আমাদের দেশের মোল্লারা এখন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ নিয়ে বিতর্কের পাঁয়তারা চলাচ্ছে। কুষ্টিয়াতে বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভেঙ্গেছে মৌলবাদীরা, স্বাধীনতা বিরোধী চক্র। ওই যে বাবুনগরীর দল বলে ভাস্কর্য নিয়ে না কি রক্তের বন্যা বয়ে দিবে। ওরা তো সেই শাপলা চত্বরে বলেছিল কিছুক্ষণের মধ্যে বঙ্গভবন দখল করবে। এরপর কি হল, আধঘন্টার মধ্যে লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যায়। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের কাছে মানবতা জননী স্বীকৃতি লাভ করেছে। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের তিনি যেভাবে আশ্রয় দিয়েছেন, তা অবশ্যই প্রশংসিত। তিনি এর মধ্যে যারা দেশে গৃহ হারা মানুষ আছে, তাদের জন্য এমপি, ডিসি ও উপজেলার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের চেহারা বদলে দিয়েছে। পাকিস্তান সরকার যখন জনগণের কাছে উন্নত দেশ গড়ার ঘোষনা দেয়, তখনই পাকিস্তানের ইমরান খানকে জনগণ বাংলাদেশের মত উন্নত দেশ গড়ার কথা বলেন। তার মানে কি দাড়ালো, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায়। পদ্মা সেতু নির্মাণ করে বিশ্বের কাছে চমক দিয়েছে আওয়ামীলীগ সরকার। আগামী ৩/৫ মাসের মধ্যে পদ্মা সেতু দিয়ে গাড়ী চলাচল করবে।

পাকিস্তান এখন বাংলাদেশ হতে চায় : আনোয়ার হোসেন

আনোয়ার হোসেন আরো বলেন, ১৯৭১ সালে ৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষণে বলেছিলেন, আমি যদি হুকুম দিতে না পারি। তোমরা যা যা কিছু আছে তা নিয়ে বের হয়ে পড়। তখন বাঙালী জাতি সকলের ঐক্যবদ্ধ বের হয়ে ছিল, স্বাধীনতা জন্য। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এই বাংলাদেশকে স্বাধীন করা হয়ে ছিল। সেই বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে উন্নত দেশ রূপ নিয়ে বঙ্গবন্ধু স্বপ্নগুলো যখন বাস্তবায়নে দিক, তখনই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট চক্রান্ত করা হয়। সেই রাতে বঙ্গবন্ধু আদর্শকে যারা মেনে নিতে পারে নাই, তারাই বঙ্গবন্ধু ও স্ব-পরিবারকে হত্যা করে। এই ঘৃণিত হত্যা পর দেশ আর উন্নত হতে পারে নাই। তারা র্দীঘ দিন সময় স্বাধীনতা বিরোধীতে মন্ত্রীত্ব ও জাতীয় পতাকা গাড়ী দেয়া ব্যস্ত ছিল। শুধু তাই নয়, জাতির জনকের হত্যা সকল অপরাধীদের রক্ষা করতে সংসদের আইন পাস করেছিল। জনগণের ভোটে শেখ হাসিনা সরকার সইে আইন বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার ও ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্তদের দন্ডমান করা হয়েছে।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2018narayanganjtimes
Customized By NewsSmart