1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৩০ অপরাহ্ন

ইপিজেডে সবাই ব্যবসা করলেও দোষ শুধু আমার : মতি

নারায়ণগঞ্জ টাইমস :
  • মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৮৪১
কাউন্সিলর মতির বিরুদ্ধে জিডির অভিযোগের সত্যতা পায়নি তদন্ত কর্মকর্তা

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মতিউর রহমান মতি বলেছেন, আদমজী রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। এই ইপিজেডে অন্য সবার মতো আমিও লাইন্সেধারী একজন বৈধ ব্যবসায়ি। সকল নিয়মনীতি মেনেই ব্যবসা করে আসছি।

তিনি বলেন, শুধু আমি একাই নই নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ, বন্দর, সোনারগাঁও, ফতুল্লা, রূপগঞ্জ, আড়াইহাজার থানা এলাকা, ঢাকা, চিটাগাংসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার লোকজন ইপিজেডে ব্যবসা বাণিজ্য করে আসছে। কিন্তু দু:খজনক ভাবে কিছু দিন পর প্রচার করা হচ্ছে যে আমি নাকি ইপিজেড নিয়ন্ত্রন করি। যেখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সেখানে আমি নিয়ন্ত্রন করার কে? আমি মনে করি আমাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। বারবার মতিউর রহমান মতি নামকেই জড়ানো হচ্ছে। এটা উদ্দেশ্যপ্রনোদিত।

আদমজী ইপিজেড ঘিরে বিভিন্ন সময় তার নাম উঠে আসায় বিষয়ে মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) বিকালে তার বক্তব্য জানতে চাইলে এই প্রতিবেদক তিনি এসব কথা বলেন।

মতিউর রহমান আরও বলেন, আমার লোকজন যারাই ইপিজেডে ব্যবসা করছে সকলেরই বৈধ লাইন্সেস রয়েছে। কর্তৃপক্ষের সব ধরনের নিয়মকানুন মেনেই তারা ব্যবসা করছে। অথচ এই ব্যবসায়িদের জড়িয়ে প্রচার করছে ‘মতি বাহিনী’। আবার বলছে ‘মতির এক সহযোগী অবৈধ পন্থা অবলম্বন করে প্রায় দুই হাজার কেজি কেমিকেল বাহির করতে গিয়ে গাড়ীসহ কাষ্টমস গেটে আটক হয়েছে’। পত্রিকায় আরও লেখা হয়েছে অনেক চেষ্টা করেও আমার সহযোগীর নামটি জানা যায় নি।

প্রকৃতপক্ষে, আদমজী ইপিজেডে আমি বা আমার কোনো সহযোগীর দ্বারা এরকম কোনো কাজ কখনও ঘটেনি। কাষ্টমস সহ বেপজা কর্তৃপক্ষের সকল নিয়মনীতি মেনেই আমার লোকজন ইপিজেডে ব্যবসা বাণিজ্য করে আসছে। গোদনাইল মেঘনা, পদ্মা তেল ডিপো, সাতঘোড়া সিমেন্ট কারখানা, ওরিয়ন গ্রুপ, চরশিমুল পাড়া নদীর ঘাট দখলের বিষয়ে মতিউর রহমান মতি বলেন, এসব আমার নির্বাচনী নাসিক ৬নং ওয়ার্ডের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান বর্তমান সরকারের আমলে তাঁরা সুন্দরভাবে ব্যবসা বাণিজ্য করে যাচ্ছে। যারা বিএনপি-জামায়াত আমলে দখল বাণিজ্য করতো তারাই এখন এসব করতে না পেরে এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে। যার কোনটারই কোনো সত্যতা নেই, প্রয়োজনে সাংবাদিক ভাইয়েরা এসে যাচাই করেন।

মতি জানান, প্রায় সময়ই আমার প্রতিটি কর্মীর নামের আগে পরে ব্যঙ্গাত্মক শব্দ ব্যবহার করা হয়। মানিক মাষ্টারের নামের আগে পরে পেট কাটা বা ফারা মানিক লেখা হয়। কিভাবে বিএনপি জামাতের আমলে সন্ত্রাসী দ্বারা তাঁর পেট কাটলো বা ফারা হলো বা আওয়ামীলীগ দলের জন্য তাঁর কি ত্যাগ রয়েছে সেটি কয়েকমাস আগে নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে। যাদেরকে ইপিজেডের নিয়ন্ত্রণ কর্তা বলা হচ্ছে অথচ  মানিক মাষ্টার ও মাহবুব ইপিজেডের ফুড সাপ্লাইয়ার ও ভাগিনা মামুন একজন প্রকৌশলী।

 ‘বিহারী ক্যাম্পে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে মতি’র অফিস সহকারী বাবু ওরফে পিচ্চি বাবু’ এই প্রসঙ্গে মতিউর রহমান মতি বলেন, বাবু নামে আমার কোনো অফিস সহকারী নেই। তাছাড়া প্রকৃতপক্ষে আমি নিজেও কোনদিনও একটি সিগারেটও মুখে দেইনি। মাদক ব্যবসার সাথে কখনও জড়িত ছিলাম না এবং বর্তমানেও কোন প্রকার মাদক সক্রান্ত ব্যবসার সাথে জড়িত নাই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের কোন আদালতে বা থানায় আমার নামে মাদক সংক্রান্ত মামলাতো দুরের কথা মাদক সংক্রান্ত কোনো অভিযোগও পাওয়া যাবে না। বরং আমি শত শত মাদক ব্যবসায়ী ধরে আইনের হাতে তুলে দিয়েছি এবং একাধিক মাদক মামলার সাক্ষী আমি নিজেই।

তিনি আরো বলেন একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সবসময় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম এখনও আছি। দেশব্যাপী মাদকের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স ঘোষণা অনুযায়ী সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে মাদকের আগ্রাসন দূর করতে নারায়ণগঞ্জের এসপি মহোদয় সহ প্রশাসনের সকল স্তরের সাথে মাদক দূরীকরণে কাজ করতে আমি দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। আমি দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। যেহেতু আমি কোন প্রকার মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত নয় তাই আমি উক্ত সংবাদের যে অংশে ‘মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে মতি’র অফিস সহকারী বাবু’ নামটি উল্লেখ করা হয়েছে। আমি এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমাকে জড়িয়ে এই ধরনের প্রচারনায় এলাকাবাসী ও প্রশাসনসহ কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart