1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন

ফতুল্লায় অগ্নিদগ্ধ বাবা-মেয়ের মৃত্যু, শঙ্কায় মা

নারায়ণগঞ্জ টাইমস :
  • রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০
  • ১০৭
সিদ্ধিরগঞ্জে মুদি ব্যবসায়ির রহস্যজনক মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অগ্নিকান্ডে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। এরমধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দীপায়ন সরকার (৩৫) ও তাঁর মেয়ে দিয়া রানী সরকার (৫) মারা গেছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় এখনও চিকিৎসাধীন মা পপি সরকার (২৮)।

শনিবার (২১ নভেম্বর) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২০ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর সরদার বাড়ী এলাকায় আনোয়ার হোসেনের ভাড়া বাসায়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দগ্ধ পপি সরকারের বরাত দিয়ে দীপায়নের বড় বোনের জামাতা সুসেন সরকার বলেন, ‘শুক্রবার মধ্য রাতে গ্যাস লাইটার দিয়ে মশার কয়েল ধরাতে গেলে রুমের মধ্যে আগুন লেগে যায়। এসময় তাদের চিৎকারে প্রতিবেশিরা এসে আগুন নিভিয়ে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে।’

ডাক্তারের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, দীপায়নের শরীরের ৪৮ শতাংশ, দিয়ার ৪০ শতাংশ ও পপির ৩০ শতাংশ পুড়ে গেছে। মূলত তাদের মুখমন্ডল ও শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। যার জন্য শনিবার রাত ১০টার দিকে দীপায়ন ও দিয়া মারা গেছে। পপি এখনও আশঙ্কাজনক বলেছে ডাক্তার।

আরো পড়ুন:ফতুল্লায় মোস্তফা কন্ট্রাক্টর খুনের ঘটনায় মামলা

সুসেন সরকার আরো বলেন, গ্রামে খুব কষ্টে জীবন যাপন করছিল। যার জন্য আমি তাদের বলি শহরে আসলে স্বামী স্ত্রী দুইজনের কাজের ব্যবস্থা করে দিবো। মেয়েটাকে এখানে ভালো স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিবো। এজন্য এখানে বাসাও ঠিক করে দেই। যার জন্য ১০ দিন আগে গ্রাম থেকে পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জে আসে। কয়েক জায়গায় কাজের জন্য কথাও চলছিল। এর মধ্যে কিভাবে কি হয়ে গেলো কিছুই বুঝতে পারছি না। এ বলেই তিনি কান্না শুরু করেন।

কান্না থামিয়ে তিনি বলেন, এক তলা ভবনের সারিসারি রুমের মধ্যে এক রুমের একটি বাসা নিয়েছি। পাশেই রান্না ঘর ছিল। হয়তো রান্না শেষে গ্যাস ভালো ভাবে বন্ধ করেনি। যার জন্য গ্যাস লিকেজ হয়ে ঘরের ভেতর গ্যাস জমে ছিল। যখনই গ্যাস লাইটটা দিয়ে কয়েল ধরাতে গেছে তখনই আগুন জ্বলে উঠছে।

ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, শনিবার রাতে বাবা ও মেয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। স্ত্রীর অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। তাদের লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2018narayanganjtimes
Customized By NewsSmart