1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন

রূপগঞ্জে রি-রোলিং মিলে বিস্ফোরনে নিহত ২, দগ্ধ ৪

নারায়ণগঞ্জ টাইমস :
  • শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ২১২

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি রি-রোলিং মিলের ভাট্টি বিস্ফোরণে দুই শ্রমিক মারা গেছেন। নিহতরা হলো- ফাহিম (২৫) ও মিজানুর রহমান (৩৩)। এরমধ্যে মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে ও ফাহিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এসময় দগ্ধ হয়েছেন আরও চারজন। তারা হলেন, আবু সিদ্দিক (৩০), রাজু (৪০), শাকিল (২০), রফিক (৪৫)। তাদের তিনজনের অবস্থা শংকটাপন্ন। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার বরপা এলাকার প্রিমিয়ার স্টিল এন্ড রি-রোলিং মিলে।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শংকর পাল জানান, হাসপাতালে দগ্ধ ৪জনের মধ্যে রাজুর দেহের ৯০ শতাংশ, আবু সিদ্দিকের ১০০ শতাংশ, ফাহিমের ১০০ শতাংশ, শাকিলের ১০০ শতাংশ ও রফিকের ১৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের সকলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দগ্ধ রাজুর ভাই মো. সাজুও একই কারখানায় কাজ করেন।
তিনি জানান, রাতে কাজ করার সময় লোহা গলানোর ভাট্টিতে বিস্ফোরণ হয়। গলিত লোহা ছিটকে কয়েকজনের শরীরে পড়ে। পরনে সেফটি জ্যাকেট না থাকায় গুরুতর দগ্ধ হন ছয়জন। ঘটনাস্থলেই চুয়াডাঙ্গা জেলার একই থানার আলোদিয়ার বাজার এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান মারা যান। বাকিদের ভোরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ফাহিম নামে আরও এক শ্রমিক মারা যান। ওই নামে প্রিমিয়ার স্টিল মিলে কাজ করছিলেন আলমগীরও। বিস্ফোরণের পর গলিত লোহা ছিটকে আসলে দগ্ধ হয় তার ভাতিজা শাকিল। আলমগীর বলেন, ‘পায়ে বুট আর হাতে গ্লাভস থাকলেও তাদের পরনে কোনো ধরনের সেফটি জ্যাকেট ছিল না। সেফটি জ্যাকেট ছাড়াই সাধারণ পোশাক পরেই কাজ করেন তারা।’
রুপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রিমিয়ার স্টিল মিলের লোহা গলানোর মেশিন বিস্ফোরিত হলে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। দগ্ধ আরও ৫ শ্রমিককে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে আরও একজন মারা যান।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইউনিটে তিনজনকে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে ফাহিম মারা গেছেন। তার শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এছাড়া ১০০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় আবু সিদ্দিক ও শাকিল ভর্তি আছেন। তাদের অবস্থা সংকটাপন্ন। আরও দুইজনকে হাসপাতালে আনা হলেও স্বজনরা তাদের নিয়ে চলে গেছেন।
এদিকে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের নার্সিং ইনচার্জ মো. আহসান হাবিব জানান, পাঁচ শ্রমিক দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে এসেছিল। হাসপাতালের আইসিইউ’র বিছানা খালি না থাকায় দুইজনকে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2018narayanganjtimes
Customized By NewsSmart