1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৪:০০ অপরাহ্ন

না,গঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ, শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ৩৭ জন ভর্তি

নারায়ণগঞ্জ টাইমস :
  • শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৭২

নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর এলাকায় পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাত জামে মসজিদে এশার নামাজ চলাকালীন ৬টি এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩৭ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। দগ্ধদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের পরিচয় এখনও জানাতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে মসজিদের ইমাম আব্দুল মালেক আনসারী (৬০) ও মোয়াজ্জেম দেলোয়ার হোসেন (৪৫) দুইজনই দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।

তাদের কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলো মো. আজিজ (৫৫), মিজান (৪০), হুমায়ুন কবির (৭০), জুলহাস (৩০), ইব্রাহিম (৪২), ইমাম হোসেন (৩০), আমজাদ হোসেন (৩৮), মোস্তফা কামাল (৩৫), ছাত্তার (৩০), আব্দুল মালেক (৬০), কাঞ্চন হাওলাদার (৫০), জোনায়েদ (২৮), ফরিদ (৫৫), শেখ ফরিদ (২১), শোমিক (৩৩), রিফাত (১৮), মহিউদ্দিন (১২), রাসেল (৩৪), রাশেদ (৩০), নয়ন (২৭), আব্দুল বাশার মোল্লা (৫১), বাহাউদ্দিন (৫৫), শামীম হাসান (৪৫), জোবায়ের (১৮), জয়নাল (৫০), মোহাম্মদ আলী (৫৫), ছাব্বির (২১), মামুন (৩০), কুদ্দুস বেপারী (৭০), লিয়াকত (১৮), জামাল (৪০), ইনু (৩৫), শাহেদ (৪০) প্রমুখ।
শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডাক্তার সামন্ত লাল সেন শুক্রবার রাতে বলেন, ‘আগুনে হাত, পা, মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থান দগ্ধ হয়েছে। আহতদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দগ্ধদের বেশিরভাগ ৯০ থেকে ৫০ ভাগ পুড়ে গেছেন। অনেকের শ্বাসনালীসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ পুড়ে যাওয়ায় তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রাত ১১ টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যেকের অবস্থাই আশংকাজনক। প্রত্যেকের শরীরের ৮০ থেকে শতভাগ দগ্ধ হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) জায়দুল আলম বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ৩৭ জনকে ইতিমধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও অনেকেই স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এশার নামাজ চলাকালীন বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে।
আবদুল্লাহ আল আরেফিন আরও জানিয়েছেন, ‘ওই মসজিদটির নিচ দিয়ে গ্যাসের পাইপ লাইন নেওয়া হয়েছে। সেই পাইপ ছিদ্র হয়ে গ্যাস নির্গত হচ্ছিল। পুরো মসজিদটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় গ্যাস জানালা দিয়ে বাইরে বেরুতে পারেনি। ওই অবস্থায় কেউ মসজিদের ভেতরে এসি অথবা ফ্যানের সুইচ বন্ধ করার সময় সৃষ্ট ছোট্ট স্পার্ক থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এতে মসজিদের ভেতরে আগুন ধরে যায় এবং মসজিদে নামাজরত মুসল্লিরা অগ্নিদগ্ধ হয়।’
তিনি বলেন, ওই মসজিদে থাকা ৬টি এসির সবগুলোই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনার পর মসজিদের ফ্লোরে পানি ছিটিয়ে তারা গ্যাস নির্গত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হতে পেরেছেন।
নাসিক ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জমশের আলী ঝন্টু বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ওই ঘটনায় তার ভাগ্নে হান্নানসহ অনেকে হতাহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে শামীম, বাহাউদ্দিন, নাদিম, গফুর মেম্বার, সালমা বেগমের নাম জানা গেছে। আহত সবাইকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart