1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন

না,গঞ্জে জিসা মনি কান্ডে মামলার তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ : হাইকোর্ট

নারায়ণগঞ্জ টাইমস :
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৪৯

নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার স্কুল ছাত্রী জিসা মনি ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়ে জীবিত ফেরত আসার ঘটনায় রিভিশন আবেদনের শুনানি হয়েছে।  শুনানী করেন এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ।

এ মামলার সব নথি নিয়ে হাইকোর্টের তলবে হাজির হয়ে দুই তদন্ত কর্মকর্তা ব্যাখ্যা দেন। এ সময় আদালত মামলার তদন্তের সময় আসামির দোষ স্বীকার করা স্বাভাবিক কি না এমন প্রশ্ন করেন। আদালত বলেন, পৃথিবীতে এমন কোনো নজির নেই, স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসামি দোষ স্বীকার করেছে। সেখানে ধর্ষণ ও হত্যার কথা দোষ না করেই স্বীকার করলো? এই মামলার তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। ধর্ষণ ও হত্যা না করেও আসামিরা কীভাবে স্বীকার করলো, এটা বড় খটকা।

আদালত আরও বলেন, আসামি গ্রেপ্তারের সঙ্গে সঙ্গে বিচার শেষ হবার আগেই ব্রিফিং করে আসামিদের মিডিয়ার সামনে আনা বিচারকে প্রভাবিত করার সমান। একই সঙ্গে তদন্তকালীন সময়ে মামলা মিডিয়াতে টকশো করে যা অনুচিত।

আইনজীবী শিশির মনির শুনানিতে বলেন, উন্নত বিশ্বের সব জায়গায় জবানবন্দি নেওয়ার সময় আইনজীবী থাকেন। এটি বাংলাদেশেও থাকা উচিত। শুনানি শেষে আদালত ২৪ সেপ্টেম্বর আদেশের দিন নির্ধারণ করেন।

আরও পড়ুন বন্দরে মাদক ও অস্ত্রসহ ৫ সন্ত্রাসী র‌্যাবের জালে

এর আগে গত ২৬ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে কথিত মৃত কিশোরী ফিরে আসা এবং তিন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিসহ মামলার সব নথি তলব করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই মামলায় তদন্তের সঙ্গে জড়িত দুই তদন্ত কর্মকর্তাকেও তলব করেন আদালত।

গত ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রীর জীবিত ফেরত আসার ঘটনায় নথি তলবের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন দায়ের করা হয়। ৫ আইনজীবীর পক্ষে মোহাম্মদ শিশির মনির এ আবেদন করেন।

৫ আইনজীবী হলেন-মো. আসাদ উদ্দিন, মো. জোবায়েদুর রহমান, মো. আশরাফুল ইসলাম, মো. আল রেজা আমির এবং মো. মিসবাহ উদ্দিন।

গত ২৪ আগস্ট ‘ধর্ষণের পর নদীতে লাশ ফেলে দেওয়া স্কুলছাত্রীর ৪৯ দিন পর জীবিত প্রত্যাবর্তন’ শীর্ষক শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির সোমবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে আনেন। তখন আদালত আইনজীবী শিশির মনিরকে লিখিতভাবে আবেদন করতে বলেন। এরপর মঙ্গলবার একটি রিভিশন মামলা করা হয়।

ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করে শিশির মনির বলেন, গত ৪ জুলাই পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী খোঁজ হয়। গত ৬ আগস্ট নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অপহরণ মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ আব্দুল্লাহ, রকিব এবং খলিল নামে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেন। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। স্বীকারোক্তিতে তারা বলেন, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসিয়ে দেয়। জবানবন্দি গ্রহণের পর আসামিদের জেলে পাঠানো হয়।

কিন্তু ২৩ আগস্ট ওই ছাত্রীকে খুঁজে পাওয়া যায়। এখন প্রশ্ন দেখা হলো আসামিরা কীভাবে ধর্ষণ ও হত্যা সম্পর্কিত স্বীকারোক্তি দিয়েছে। যেখানে ওই ছাত্রী অক্ষত অবস্থায় ফেরত এসেছে।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart