1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

মেসিদের গোল বন্যায় ভাসিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে বায়ার্ন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২০
  • ২৫০

কিকে সেতিয়েনের দলকে গোল বন্যায় ভাসিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে গেল জার্মান চ্যাম্পিয়নরা। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে পর্তুগালের লিসবনে কোয়ার্টার-ফাইনালে ৮-২ গোলে জিতেছে দলটি। দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলা বায়ার্ন মিউনিখের সামনে স্রেফ উড়ে গেল লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজদের বার্সেলোনা। ইচ্ছে হলেই যেন গোল করল হান্স ফ্লিকের দল।

খেলায় জয়-পরাজয় থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এভাবে স্রেফ আউটক্লাস হয়ে যাওয়া, বার্সার ক্ষেত্রে একেবারেই বেমানান। বার্সা-বায়ার্ন ম্যাচটি দেখে ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বেলো হরাইজন্তে ব্রাজিল বনাম জার্মানির ম্যাচটির কথাই মনে পড়েছে সবার। ঐ ম্যাচে যেমন জার্মানির খেলার সামনে ব্রাজিলিয়ানরা দাঁড়িয়ে ছিল, ঠিক তেমনি আজও বার্সার খেলোয়াড়রা যেন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল তাদের জালে বায়ার্নের গোল উৎসব।

ইতিহাসের পাতা আতিপাতি করে খুঁজেও এতটা বাজে পাওয়া গেলো না বার্সেলোনাকে। দলটির অভ্যন্তরে যে কি চলছে, সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো বার্সেলোনা। অগোছালো মেসিদের নিয়ে স্রেফ ছেলেখেলা করল বায়ার্ন মিউনিখ। মেসিদের জালে গুনে গুনে আটবার বল জড়ালো জার্মান জায়ান্টররা। নিজেদের জালে নিজেরাই জড়িয়েছে একবার।

১০ গোলের ম্যাচে ৯টি’ই দিলো বায়ার্ন। বার্সার হয়ে একটি মাত্র গোল করতে পেরেছেন লুইস সুয়ারেজ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে নকআউট পর্বে এই প্রথম এতবড় একটি জয় পেলো বায়ার্ন।

ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজদের মুখখানা হয়েছিল দেখার মত। চোখ ফেটে কান্না বেরিয়ে আসবে যেন। আর কোচ কিকে সেতিয়েন তো টেন্টের ওপর দুই হাত ছড়িয়ে দিয়ে উদাস দৃষ্টিতে যেভাবে আকাশের দিকে তাকিয়েছেন, তাতেই নিশ্চিত হওয়া গেছে, ন্যু ক্যাম্পে আর হয়তো ফেরা হবে না তার। এর আগেই বিদায়ের চিঠি হয়তো ধরিয়ে দেয়া হবে।

মুলার, পেরিসিক, লেওয়ানডস্কি, গিনাব্রি, কিমিচরা গোল করে যাচ্ছিলেন। শেষ দিকে যোগ হলেন বার্সারই ঘরের ছেলে কৌতিনহো। একের পর এক বঞ্চিত করে লোনে বায়ার্নের কাছে দিয়ে দেয়ার কারণে কৌতিনহোকে নামতে হয়েছে বার্সার বিপক্ষেই এবং শেষ দুটি গোলও করলেন তিনি।

ম্যাচটিকে সবাই ধরে নিয়েছিল, ফাইনালের আগে আরেক ফাইনাল হিসেবে। বার্সেলোনা এবং বায়ার্ন মিউনিখের খেলা বলে কথা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই তো হবেই!

কিন্তু মাঠের খেলায় বার্সাকে খুঁজে পাওয়াই ছিল কঠিন। লিওনেল মেসিরা মাঠে নেমেছিলেন যেন শুধু বায়ার্নের আক্রমণ ঠেকানোর জন্যই। নিশ্চিত আরও কয়েকটি গোলের সুযোগ মিস না হলে স্কোরলাইন আরও বাজে হতে পারতো। লিখতে হতো হয়তো, বার্সার জালে একের পর এক গোল দিয়েই গেলো বায়ার্ন।

গোল করতে করতে এক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়লো যেন খোদ বায়ার্নই। প্রথমার্ধেই গোল হয়েছে মোট ৫টি। পরের অর্ধে ৫টি। মোট ১০টি। এর মধ্যে ৯টিই দিলো বায়ার্ন মিউনিখ। কিন্তু ম্যাচের স্কোরলাইন ৮-২। একটি গোল বায়ার্ন নিজেদের জালে যদি না জড়াতো, তাহলে বার্সার ভাগে গোলের পাল্লা থাকতো মাত্র একটি। যেটি এসেছিল লুইস সুয়ারেজের পা থেকে।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart