1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:১২ অপরাহ্ন

ওসি আসাদ ও পরিদর্শক হাইকে না.গঞ্জ আদালতে তলব

নারায়ণগঞ্জ টাইমস :
  • বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০
  • ২০২

নারায়নগঞ্জে স্কুল ছাত্রী জিসা মনি অপহরন মামলায় সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আব্দুল হাইকে আদালতে তলব করা হয়েছে৷ জিসা মনি বেঁচে থাকলেও তিন আসামি কেন ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার জবানবন্দি দিয়েছে তার ব্যাখ্যা চেয়েছেন আদালত৷ আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে এর ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত৷

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টায় নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালত এ আদেশ দেন৷ পাশাপাশি আগামী সোমবার এই মামলায় গ্রেফতার চার আসামির একত্রে জামিন ও রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে আদেশ দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাওসার আলমের আদালত৷

আদালত বলেন, ভিক্টিম যেহেতু বেঁচে আছে সুতরাং হত্যার বিষয়টি মিথ্যা৷ তাছাড়া ধর্ষণের বিষয়টিও নিশ্চিত নয়৷ আসামিরা কেন হত্যা ও ধর্ষণের জবানবন্দি দিয়েছে তার ব্যাখ্যা দিতে আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হলো৷ আগামী সোমবার চার আসামিকে একত্রে আদালতে উপস্থিত করে রিমান্ড ও জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হবে৷ আসামিরা যদি আবারও জবানবন্দি দিতে চায় তারও ব্যবস্থা করা হবে৷

গত ৪ জুলাই স্কুলছাত্রী জিসা মনি (১৫) নিখোঁজ হয়। এক মাস পর ৬ আগস্ট একই থানায় স্কুলছাত্রীর বাবা অপহরণ মামলা করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বন্দর উপজেলার বুরুন্ডি খলিলনগর এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ (২২) ও তার বন্ধু বুরুন্ডি পশ্চিমপাড়া এলাকার সামসুদ্দিনের ছেলে রকিবকে (১৯)। ওই দিনই তাদের গ্রেফতার করা হয়। একই ঘটনায় দুইদিন পর গ্রেফতার করা হয় বন্দরের একরামপুর ইস্পাহানি এলাকার বাসিন্দা নৌকার মাঝি খলিলকে (৩৬)।

গত ৯ আগস্ট এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই শামীম আল মামুন গণমাধ্যমকে স্বাভাবিক জানায়, স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয় আসামিরা। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় এ ঘটনা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। অথচ ২৩ আগস্ট সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থায় পরিবারের কাছে ফিরে আসে স্কুল ছাত্রী জিসা মনি। এ ঘটনায় প্রশাসনসহ সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়। চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় চারদিকে। পুলিশের তদন্ত ও আদালতে দেওয়া জবানবন্দি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে ঘটনার তদন্তে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহেদুল আলম পৃথক দুটি তদন্তকমিটি গঠন করেন।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart