1. admin@narayanganjtimes.com : ntimes :
  2. ahmedshawon75@gmail.com : ahmed shawon : ahmed shawon
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন

গোগনগরে ভিজিডি কার্ডের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ টাইমস :
  • বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০
  • ৩২৫

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর ইউনিয়নে সরকারী ভিজিডি কার্ডের চাউল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কার্ড প্রতি ৩০ কেজি করে চাল দেয়ার কথা থাকলেও ২৫ থেকে ২৬ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়েছে। তাছাড়া দাড়ি পাল্লায় ওজন মেপে চাল দেয়ার নিয়ম থাকলেও তারা বালতিতে করে অনুমান নির্ভর ওজন করে দিয়েছে। এতে প্রতি কার্ডধারী ৪ থেকে ৫ কেজি করে চাল কম পেয়েছে।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টায় সরেজমিনে গোগনগর ইউনিয়ন কার্যালয়ে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এসময় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্মচারী পিন্টু তালুকদার ভিজিডি কার্ডে স্বাক্ষর করছিলেন। তিনি বলেন, আমি জেলা মহিলা বিষয়ক অফিসের ভিজিটিং ট্রেইনার হিসেবে আছি। এখানে আসার পর তোফাজ্জল হোসেন কাবিল মেম্বার এবং মহিলা মেম্বার তাহমিনা বেবিকে বলেছি এই বালতি দিয়ে কেন চাউলের ওজন করছেন। ৩০ কেজি বস্তা দেয়ার কথা। কাবিল মেম্বার এবং বেবি মেম্বারের সামনে এই চাউল বালতি দিয়ে ওজন করে দেয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, তারা বলেছে এই বালতিতে ১২ কেজি চাল ধরে। আমরা তখন একটু কমিয়ে ৩ বালতি করে দিয়ে ৩০ কেজি দেই। কি করে চাল কম দেয়া হলো তা আমি বুঝতে পারতাছি না। এই পর্যন্ত আমরা ৩০ থেকে ৪০ জনকে চাল প্রদান করেছি। যারা চাউল ওজন দেয় তাদের বলেছি কম যেন না দেয়া হয়। ১ কেজি কম হলেও চলবে।

ভিজিডি কার্ডের চাল গ্রহনকারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, আমি এই চাল নেয়ার পরে প্রায় ৩ থেকে ৪ কেজি কম পাই। ভয়ে তাদের জানাই না। যদি কার্ড বাতিল করে দেয়।

বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের সন্দেহ হলে ওই ব্যক্তির চালের বস্তা গোগনগর ইউয়িন পরিষদ ভবনের পাশের দোকানে নিয়ে পরিমাপ করা হয়। তখন দোকানদার জানান, ২৬ কেজি চাল আছে। তার আগে একজন চাল ওজন দিছে তারটা ২৫ কেজি ৮০০ গ্রাম পাওয়া গেছে।

গোগনগর ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার তাহমিনা বেবি বলেন, আমি বার বার বলেছি চাউল ঠিকমত ওজন করে দিতে। গোগনগর ইউনিয়নের সচিব মাহবুবুর রহমানের কাছেজানতে চাওয়া হয় আপনি পরিষদের থাকা অবস্থায় ভিজিডি কার্ড গ্রাহকদের ৩০ কেজি চাউলের জায়গায় ২৫ থেকে ২৬ কেজি দেয়া হচ্ছে, এই দায়ভার আপনি কিভাবে এড়াবেন? তখন তিনি বলেন, আপনারা মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করেন। তারা দিচ্ছে, এটা কেন কম হলো তারা বলতে পারবে। বসেন আমি বিষয়টা দেখতাছি। গোগনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নওশেদ আলী মুঠো ফোনে যোগগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি বলেছি ৩০ কেজি করে চাউল দিতে। তারা কেন কম দিবে। আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতাছি।

এ বিষয়ে সদর উপজেলার ইউএনও নাহিদা বারিক বলেন, ওখানে আমাদেরে টেগ অফিসার আছে। তাকে দায়িত্ব দিবো, তিনি বিষয়টা দেখবেন।

নিউজটি আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা  সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.narayanganjtimes.com কর্তৃক সংরক্ষিত।
Customized By NewsSmart